fbpx

ডিম সিদ্ধ করার কতক্ষণ পর খাওয়া উচিত? জেনে নিন…

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

ডিম একটি আদর্শ খাবার। ছোট বড় সবাই ডিম খেতে পছন্দ করেন। প্রোটিনের আধার ডিম। বেশিরভাগ চিকিৎসকই স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দেন। ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর প্রাকৃতিক খাদ্য। একে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের জন্য ডিম একটি অত্যন্ত উপাদেয় খাদ্য। বলা হয়ে থাকে, ‘যদি সুস্থ থাকতে চান, প্রতিদিন একটি করে ডিম খান’।

একটি বড় ডিমের ওজন প্রায় ৫০ গ্রাম হয়ে থাকে । একটি সেদ্ধ ডিম থেকে সাধারণত ৭৭ ক্যালরি পাওয়া যায়। ৬.৩ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন পাওয়া যায়। ডিম দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায় এবং খিদে কমায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়েটে ডিম রাখা জরুরি। অনেকেই সিদ্ধ ডিম অনেকক্ষণ পরে খান। এমনকি দোকানে কতক্ষণ আগের সিদ্ধ করা ডিম দেওয়া হচ্ছে, সেটাও বোঝা যায় না।

সব ধরনের ডিম ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪.৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের নিচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। আর অবশ্যই মনে রাখতে হবে খোসা ছাড়ানো সেদ্ধ ডিম কোনোভাবেই ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা যায় না। ফ্রিজে সংরক্ষণ করা ছাড়া সাধারণ তাপমাত্রায় ডিম সেদ্ধ করার পর দুইঘণ্টা পর্যন্ত ভালো থাকে। অর্থাৎ তার পরে আর না খাওয়াই ভালো।

আমেরিকার ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ এর তথ্যানুসারে, দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এরকম খাবারের মধ্যে ডিম সেদ্ধ করার পর সাধারণত দুই ঘণ্টার মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।

এরপরে হয় ফেলে দিতে হবে নয়তো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে অবশ্যই খোসা না ছাড়ানো অবস্থায়। এরপরই ডিম খারাপ হতে শুরু করে। খোসা ছাড়ানো সেদ্ধ ডিম হলে, সেটা খেতে হবে টাটকা। অর্থাৎ যেদিন সেদ্ধ করা হবে সেদিনই খেতে হবে। ডিম সেদ্ধ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি দিয়ে একটু ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন।

প্রকৃতপক্ষে, যখন সেদ্ধ ডিম ৪ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রায় রাখা হয়, তখন এর ব্যাকটেরিয়া ধীর গতিতে বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ ডিম কেবলমাত্র দুই ঘণ্টার জন্য ঘরের তাপমাত্রায় থাকতে দিন। এর পর সেগুলো ফ্রিজে রাখুন। আপনি একটি এয়ার টাইট পাত্রে ডিম রাখতে পারেন। সেদ্ধ ডিম ফ্রিজে রাখলে দুর্গন্ধ হতে পারে, যা হাইড্রোজেন সালফাইড থেকে আসছে।

ডিম সেদ্ধ হলে এই গ্যাসও উৎপন্ন হয়। কিন্তু এটি কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয়। ফ্রিজে ডিম রাখলে আরও শক্ত হয়ে যায়, ফলে অদ্ভুত স্বাদ পেতে পারেন। সেদ্ধ ডিমের কি খোসা রাখা উচিত?

আপনি যদি অবিলম্বে সেদ্ধ ডিম খেতে না চান, তাহলে আপনার এটি খোসা ছাড়ানো উচিত নয়। আপনি যদি ডিম খেতে চান, তখন তার খোসা ছাড়িয়ে ফেলুন এবং অবিলম্বে খেয়ে নিন। এটি ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসতে বাধা দেবে। ডিম ফুটানোর সময় ভেঙে গেলে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Article

Recent Article

আর দুদিন পরেই লক্ষী পুজো, জেনে নিন কোন নিয়মগুলি পালনে গৃহস্থে আসে সমৃদ্ধি

উমা চলে যাওয়ায় রীতিমতে ভারাক্রান্ত থাকে বাঙালির মন। চারদিনের আনন্দ মিটিয়ে আবার পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার ক্লান্তির মাঝেই আসে লক্ষ্মীপুজো। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ঘিরে ফের আয়োজনে

বেশি খেয়ে ফেলে পেট আইঢাই করছে? জানুন ঘরোয়া টোটকা দিয়ে কীভাবে সামলাবেন

পুজো মানেই জমিয়ে পেট পুজো। এখন করোনার ভয়ে এমনিতেই ঠাকুর দেখায় বাধা পড়েছে। এই অবস্থায় পেট পুজোতেই মন বসিয়েছেন কেউ কেউ। মানে ষষ্ঠী থেকে দশমী,

আপনি থাইরয়েডে আক্রান্ত নন তো? এই ৬টি উপসর্গ দেখলেই সাবধান হোন!

জীবনযাত্রার মান এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে, থাইরয়েডে আক্রান্ত হওয়া আজ খুবই সাধারণ ব্যাপার। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ৮ জন

Korean Beauty Secrets: রাইস ওয়াটার ব্যবহার করলে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও দাগহীন

কোরিয়ান বিউট্রি ট্রিটমেন্ট ও বিউডি প্রোডাক্টসের অন্যতম উপাদান হল রাইস ওয়াটার। আপনিও যদি কোরিয়ান মহিলাদের সুন্দর, চকচকে ত্বকের প্রেমে পড়ে থাকেন, তাহলে ব্যবহার করুন রাইস

আপনার জন্মমাস অনুযায়ী ধারণ করুন রত্ন, জীবনে সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আসবেই!

জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আনতে রত্ন ধারণের রীতি বহু প্রাচীন৷ প্রাচীনকাল থেকেই এটি বিশ্বাস করা হয় যে, বার্থস্টোন পরলে সম্পদ এবং সৌভাগ্য ফিরে আসতে পারে।

error: Content is protected !!