fbpx

কাদের জন্য পেয়ারা একেবারেই উপযুক্ত নয়, জানেন?

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

AOL Desk: দেশি ফলগুলির মধ্যে পেয়ারা বেশ জনপ্রিয়ও বটে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা ডায়েটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীদের জন্য পেয়ারা অত্যন্ত উপকারী। পেটের সমস্যা, মুখের মধ্যে সংক্রমণ-এই সব সমস্যা থেকে চটজলদি রেহাই পেতে প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খাওয়া খুব ভাল।

পেয়ারা শুধু একটি ফল নয়, স্বাস্থ্যের জন্য এর গুণ অপরিহার্য। বিজ্ঞানীদের মতে, পেয়ারা পাতার রসেও ফলের সমান পুষ্টিগুণ রয়েছে। নিয়মিত পেয়ারা খেলে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার যেমন স্তন ক্যানসার, মুখের ও ত্বকের, পাকস্থলী ও ফুসফুসের ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও পটাসিয়াম। একটি পেয়ারায় মাত্র ১১২ ক্যালোরি ও ২৩ গ্রামের বেশি কার্বোহাইড্রেটস রয়েছে। এছাড়া ৯ গ্রাম ফাইবারও থাকে। ১ কাপ পেয়ারা টুকরো ১.৬ গ্রাম ফ্যাট ও ৪ গ্রামের বেশি প্রোটিন থাকে। সমীক্ষা বলছে, ডায়াবেটিসের জন্য পেয়ারা সুপার ফুড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এতে বেটা ক্যারোটিন, ফোলাইটের মতো খনিজ থাকায় শরীরের জন্য পেয়ারা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সবার জন্য পেয়ারা পুষ্টিকর নাও হতে পারে। কারা কারা পেয়ারা এড়িয়ে যাবেন, জেনে নিন এখানে…

পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন সি ও ফ্রুকটোজ। তাই দুটির বেশি খেলেই পেটে ব্যাথা ও পেট ফুলে যাওয়া অনুভব করতে পারেন অনেকে। জলের মধ্যে ভিটামিন মিশে গিয়ে দেহে অতিরিক্ত ভিটামিন সি শোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত পেয়ারা গ্রহণের জন্য এমনটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও হজমতন্ত্রকে উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে পেয়ারা খেলে হজম ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি ইরিটেটেড বাওয়েল সিনড্রোমে আক্রান্ত হোন, তাহলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে।

কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের কারণ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ব্যক্তিদের জন্য পেয়ারা অন্য়তম পছন্দের একটি ফল। তবে ডায়েটে এই ফলটি তখনই রাখুন, যখন আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক থাকে। ১০০ গ্রাম কাটা পেয়ারায় ৯ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই অতিরিক্ত পেয়ারা রক্তে শর্করার মাত্রার বাড়িয়ে দিতে পারে।

দিনে একটি পেয়ারাই যথেষ্ট। এর চেয়ে বেশি খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। দুটি ভারী খাবারের মাঝখানে একটি ফল খাওয়া ভাল। সেইসময় পেয়ারা খান রোজ একটি করে। রাতে ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন, কারণ এর জেরে ঠান্ডা লেগে কাশি হতে পারে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Article

Recent Article

Nail Care Tips: নখকে সুন্দর ও মজবুত করে তুলুন ঘরোয়া উপায়ে!

শরীরের অন্যান্য অংশের মত নখেরও বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। যদি আপনি নখের সঠিকভাবে যত্ন না নেন, তাহলে সেগুলি শুষ্ক ও দুর্বল হয়ে যায় এবং সহজেই

Fish Oil: মানসিক অবসাদে ভুগছেন? খাওয়া শুরু করুন মাছের তেল!

মাছের টিস্যু থেকে তৈরি করা হয় মাছের তেল। আমরা সাধারণত ইলিশ মাছের তেল ভাতের সঙ্গে খেয়ে থাকি। কিন্তু এমন অনেক সামুদ্রিক মাছের তেল রয়েছে যা

Pitri Tarpan: এই ৫ কাজ না করলে তর্পণ হবে বৃথা, জেনে নিন

পিতৃ পক্ষের (Pitri Paksha) সঙ্গে শ্রাদ্ধ এবং তর্পণের পর্বও শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এই দিনগুলিতে, পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য, পূর্ণ আচারের সঙ্গে পূজা করা হয়। পিতৃদোষ

২১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু পিতৃপক্ষ, জানুন এই সময়ের ৫টি জরুরি নিয়ম

বৈদিক ক্যালেন্ডার অনুসারে দেবীপক্ষের আগে ১৫ দিন ধরে চলে পিতৃপক্ষ। এই সময়টা প্রয়াত পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার জন্য নির্দিষ্ট। মনে করা হয় এই সময় প্রয়াত

সফল ভাবে বিয়ে টিকিয়ে রাখার ৫ গুপ্ত মন্ত্র…

‘Happy Couple’ বা সুখী দম্পতি শুনতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু এর পিছনে থাকে অনেক পরিশ্রম। আসলে সুখী দম্পতের কিন্তু কোনও গুপ্ত রহস্য নেই। একে অন্যের

গর্ভাবস্থায় এই ভারী কাজগুলো একেবারেই করবেন না, বিপদ হতে পারে

মা হওয়া প্রত্যেক মহিলার কাছে যেমন খুব সুখকর, তেমন আবার প্রতিটা মুহূর্ত খুব চ্যালেঞ্জিং। এই সময় প্রতিটা পদক্ষেপ খুব ভাবনা-চিন্তা করে চলতে হয়, একটু অসাবধান

error: Content is protected !!