fbpx

জানেন শ্বেতার্ক গণেশ কী? এর প্রভাবে নাকি দূর হয় ভূত-প্রেতের বাধা!

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী গণেশের পুজো করলে সমস্ত বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করা যায়। গণেশের অপর নাম বিঘ্নহর্তা। ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথি মহা সিদ্ধিবিনায়ক নামে পরিচিত এবং এদিন গণেশ পুজো করা হয়। গণেশের বিভিন্ন মুদ্রার প্রতিমা পাওয়া যায়। এই পৃথক প্রতিমার গুরুত্বও পৃথক পৃথক হয়ে থাকে। এমনই একটি গণেশ প্রতিমা হল শ্বেতার্কের গণেশ। শ্বেতার্ক অর্থাৎ সাদা আকন্দ। সাদা আকন্দের শিকড় দিয়ে তৈরি গণেশ প্রতিমা অত্যন্ত শুভ ফল প্রদান করে থাকে। উল্লেখ্য সাদা আকন্দে শিকড়ে গণেশের বাস। সম্পূর্ণ নিয়ম-নীতি মেনে এই গণেশ প্রতিমা প্রতিষ্ঠা করলে পরিবারে সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তি বাস করে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশের জন্ম হয়।

শ্বেতার্ক গণেশের মাহাত্ম্য

শ্বেতার্কের শিকড় দেখতে অনেকটা গণেশের মতো। এই শিকড় অর্থাৎ শ্বেতার্ক গণেশকে বাড়িতে প্রতিস্থাপিত করলে প্রতিদিন নিয়ম মেনে এর পুজো করা উচিত। এর ফলে এই গণেশ প্রতিমা সিদ্ধ হয় এবং এতে গণেশের বাস হয়। ব্যক্তি শীঘ্র এই প্রতিমার পুজোর ফল পেয়ে থাকেন। উল্লেখ্য গণেশের মতো শিকড় পেলে, তাকেই বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত করুন। তা না-হলে কোনও শিল্পীকে দিয়ে শ্বেতার্কের শিকড়কে গণেশের আকৃতির গড়িয়ে নিন।

শ্বেতার্কের শিকড়কে শুদ্ধ জল বা গঙ্গাজল দিয়ে পরিষ্কার করে লাল কাপড়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত করুন। প্রতিদিন এর পুজো করা উচিত। শ্বেতার্ক গণেশের পুজোয় লাল চন্দন, অক্ষত (অখণ্ড চাল), পুষ্প, সিঁদূর ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এক এক করে এই সামগ্রী অর্পণ করার পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করুন এবং ধূপকাঠি দেখান। লাড্ডুর ভোগ নিবেদন করুন এবং কয়েন অর্পণ করতে ভুলবেন না। পুজো হওয়ার পর এক মালা বা ১০৮ বার ওম গং গণপতয়ে নমঃ মন্ত্র জপ করুন। শ্বেতার্ক গণেশের পুজোয় মন্ত্র জপের সময় লাল মালা বা রুদ্রাক্ষের মালা ব্যবহার করা উচিত।

শ্বেতার্ক গণেশের পুজোর উপকারিতা

  • শ্বেতার্ক গণেশের পুজো করলে সমস্ত ধরনের দৈবিক বাধা থেকে নিরাপত্তা লাভ করা যায়।
  •  গণেশের পুজো করলে ভূত, প্রেত, নজর দোষ, জাদুটোনা, তন্ত্র, মন্ত্র ইত্যাদি ভয়ের নাশ হয়।
  • শ্বেতার্ক গণেশের প্রতিমা তৎকাল সিদ্ধির জন্য অত্যন্ত লাভপ্রদ।
  • দোকান বা অফিসে শ্বেতার্ক গণেশ প্রতিষ্ঠিত করলে ব্যবসায় অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  •  আবার শ্বেতার্ক গণেশের পুজো করলে পিতৃ দোষ, কালসর্প দোষ ইত্যাদির প্রভাব শান্ত করা যায়।

 

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Article

Recent Article

আর দুদিন পরেই লক্ষী পুজো, জেনে নিন কোন নিয়মগুলি পালনে গৃহস্থে আসে সমৃদ্ধি

উমা চলে যাওয়ায় রীতিমতে ভারাক্রান্ত থাকে বাঙালির মন। চারদিনের আনন্দ মিটিয়ে আবার পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার ক্লান্তির মাঝেই আসে লক্ষ্মীপুজো। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ঘিরে ফের আয়োজনে

বেশি খেয়ে ফেলে পেট আইঢাই করছে? জানুন ঘরোয়া টোটকা দিয়ে কীভাবে সামলাবেন

পুজো মানেই জমিয়ে পেট পুজো। এখন করোনার ভয়ে এমনিতেই ঠাকুর দেখায় বাধা পড়েছে। এই অবস্থায় পেট পুজোতেই মন বসিয়েছেন কেউ কেউ। মানে ষষ্ঠী থেকে দশমী,

আপনি থাইরয়েডে আক্রান্ত নন তো? এই ৬টি উপসর্গ দেখলেই সাবধান হোন!

জীবনযাত্রার মান এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে, থাইরয়েডে আক্রান্ত হওয়া আজ খুবই সাধারণ ব্যাপার। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ৮ জন

Korean Beauty Secrets: রাইস ওয়াটার ব্যবহার করলে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও দাগহীন

কোরিয়ান বিউট্রি ট্রিটমেন্ট ও বিউডি প্রোডাক্টসের অন্যতম উপাদান হল রাইস ওয়াটার। আপনিও যদি কোরিয়ান মহিলাদের সুন্দর, চকচকে ত্বকের প্রেমে পড়ে থাকেন, তাহলে ব্যবহার করুন রাইস

আপনার জন্মমাস অনুযায়ী ধারণ করুন রত্ন, জীবনে সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আসবেই!

জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আনতে রত্ন ধারণের রীতি বহু প্রাচীন৷ প্রাচীনকাল থেকেই এটি বিশ্বাস করা হয় যে, বার্থস্টোন পরলে সম্পদ এবং সৌভাগ্য ফিরে আসতে পারে।

error: Content is protected !!